রহস্যজনকভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একই পরিবারের ৩ জনের - The News Lion

রহস্যজনকভাবে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু একই পরিবারের ৩ জনের




দি নিউজ লায়ন ;  রহস্যজনক ভাবে একই পরিবারের ৩ জনের অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হলো। জখম একজন। আহত ওই পরিবারের নাবালিকা মেয়ে। অল্পের জন্য ওই নাবালিকা  বেঁচে যায়।  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। ঘটনাটি ঘটে মন্তেশ্বর থানার বাঘাসন এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৃত তিন জনের নাম সুদেব দে, তাঁর স্ত্রী রেখা দে ও ছেলে স্নেহেন্দু ওরফে স্নেহাংশু দে। সুদেব দে রেল পুলিশে কর্মরত ছিলেন। 


পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার বাঘাসন গ্রামের বাসিন্দা সুদেব দে। তিনি স্ত্রী রেখা, নাবালক ছেলে স্নেহেন্দু ওরফে স্নেহাংশু ও নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে ওই বাড়িতেই থাকতেন। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে খাওয়া দাওয়া করে সুদেব বাবু ও তাঁর স্ত্রী এবং ছেলে মেয়েদের নিয়ে ঘরে শুতে যান। তারপর মঙ্গলবার সকালের দিকে নাবালিকা মেয়ের চিৎকার ও ফোন পেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা ও প্রতিবেশিরা ছুটে আসেন। 


তারপর ঘরের দরজা কোনো রকমে খুলে আহত নাবালিকা মেয়েকে উদ্ধার করে এবং অপর তিন জনকে অগ্নিদগ্ধ হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের অন্য সদস্যরা। খবর যায় মন্তেশ্বর থানায়। পুলিশ এসে মৃত তিন জনকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘরে কেরোসিন তেলের গন্ধ পাওয়া গেছে। আকস্মিক এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার।


 যদিও মৃত দম্পতির আহত নাবালিক মেয়ে এখন ট্রমায় রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মেয়ে সুস্থ হলে ঘটনার কথা জানার চেষ্টা হবে। তবে পারিবারিক কারণ নাকি ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা এখনও পরিস্কার নয়। ঠিক কী হয়েছিল সোমবার রাতে? এসব নানান প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 


প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে গতকাল অর্থাৎ সোমবার সকালে কাটোয়া থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন সুদেব ঐদিন তাদের বাড়িতে পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছিল সকালে সবার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই মেলামেশা করেছিলেন সুদেব এবং তার পরিবার। আচমকা রাতে কেন তারা গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মঘাতী হলেন তা নিয়ে ধন্দ্বে রয়েছে পুলিশ।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.